একটি ঐতিহাসিক বন্ধ
শেষবার যখন সৌদি তেল চালান যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য হয়েছিল, তখন বিশ্বের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। হোয়াইট হাউসে ছিলেন রোনাল্ড রিগান। স্নায়ুযুদ্ধ তখনও চলছিল। আর যুক্তরাষ্ট্র ছিল তেলের чистো আমদানিকারক, মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহের ওপর heavily নির্ভরশীল। আজ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষ অপরিশোধিত তেল উৎপাদক, শেল বুমের thanks to। এতে বাণিজ্য পথ নতুন করে সাজানো হয়েছে। সৌদি অপরিশোধিত তেল এখন মূলত এশিয়ায় যায়, যেখানে চাহিদা বাড়ছে। ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের রিপোর্ট করা জুলাইয়ের তথ্য একটি প্রবণতাকে নিশ্চিত করে যা বছরের পর বছর ধরে তৈরি হচ্ছে: যুক্তরাষ্ট্রের সৌদি তেলের প্রয়োজন কমছে।
ভূ-রাজনৈতিক ও সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রভাব
এই বন্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক টীকা নয়। এটি পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনৈতিক গতিশীলতাকে তুলে ধরে। সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে তেলের ভিত্তিতে একটি কৌশলগত সম্পর্ক ছিল। সেই বন্ধন এখন শিথিল হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য, এই পতনের অর্থ পারস্য উপসাগরে সম্ভাব্য বিঘ্নের প্রতি কম এক্সপোজার। কিন্তু এর অর্থও হলো বিশ্ব তেল বাজার আরও খণ্ডিত হয়ে পড়ছে। যদি হরমুজ প্রণালীতে সংকট দেখা দেয়, তবে এশিয়ার ক্রেতারা প্রথম ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। যুক্তরাষ্ট্র, নিজস্ব উৎপাদন এবং কানাডিয়ান পাইপলাইন আমদানির কারণে, সুরক্ষিত থাকতে পারে। তবুও, তেল একটি বৈশ্বিক পণ্য। যেকোনো জায়গায় দাম বাড়লে সর্বত্র তার প্রভাব পড়ে। এই বন্ধ দশকের পর দশক ধরে যা স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হচ্ছিল, সেই সরবরাহ শৃঙ্খলগুলির দুর্বলতাও উন্মোচন করে।
তথ্য যা দেখায়
জুলাইয়ের শূন্য পরিসংখ্যান এককালীন ঘটনা নয়। সৌদি চালান যুক্তরাষ্ট্রে বছরের পর বছর ধরে কমছে। ২০১৯ সালে, যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০০,০০০ ব্যারেল আমদানি করেছিল। ২০২২ সালের মধ্যে, সেই সংখ্যা ২০০,০০০-এর নিচে নেমে এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের রিফাইনারিগুলি হালকা দেশীয় অপরিশোধিত তেলের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ায় এবং সৌদি আরব এশিয়ায় চালান পুনঃনির্দেশিত




