বিটকয়েন ডিপো ২০২৬ সালের ১৮ মে অধ্যায় ১১ দেউলিয়া ঘোষণা করে, রাস্তা থেকে ৯,৭০০ বিটকয়েন এটিএম সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই আকস্মিক বন্ধের আগে প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির আয় ৮০.৭ মিলিয়ন ডলার কমে যায় এবং নিট লোকসান দাঁড়ায় ৯.৫ মিলিয়ন ডলারে—গত বছরের ১২.২ মিলিয়ন ডলার মুনাফা থেকে বড় উল্টো পথে।
প্রথম প্রান্তিকে প্রচুর ক্ষতি
\nবিটকয়েন ডিপোর আয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে। বার্ষিক ভিত্তিতে আয় ৪৯.২% কমেছে। মোট লাভে চরম পতন—৮৫.৫% কমে মাত্র ৪.৫ মিলিয়ন ডলার হয়েছে। এতে কোম্পানি ৯.৫ মিলিয়ন ডলার লোকসানে পড়েছে। এটাই একমাত্র সমস্যা নয়। প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক সংখ্যাও দ্রুত কমেছে।
কিয়স্ক জালিয়াতিতে বয়স্কদের টার্গেট
\n২০২৫ সালে ক্রিপ্টো কিয়স্কে জালিয়াতির অভিযোগ বিস্ফোরকভাবে বেড়েছে। এফবিআই ১৩,৪৬০টি মামলা নথিভুক্ত করেছে—আগের বছরের তুলনায় ৫৮% বেশি। প্রতারকরা মোট ৩৮৯ মিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বয়স্করা। ৬০ বছরের বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্করা ২৫৭.৫ মিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন, যা মোট রিপোর্টকৃত ক্ষতির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি। মেশিনগুলো জালিয়াতির পাইপলাইনে পরিণত হয়েছে।
নিয়ন্ত্রকদের কঠোর পদক্ষেপ
\nরাজ্যগুলো কিয়স্কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। ইন্ডিয়ানা ২০২৬ সালের মার্চে সব বিটকয়েন এটিএম নিষিদ্ধ করে, ৯০০ মেশিন বন্ধ করে দেয়। ক্যালিফোর্নিয়ার ২০২৫ সালের আইন দৈনিক লেনদেন ১,০০০ ডলারে সীমিত করে। এখন কানাডা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা চায়। কর্তৃপক্ষ কিয়স্ককে জালিয়াতির ইঞ্জিন হিসেবে চিহ্নিত করছে। জমে থাকা ক্ষতির প্রেক্ষিতে তাদের দাবি যথার্থ। অপারেটরদের জন্য সময়টা মোটেও ভালো নয়।
বিটকয়েন ডিপোর মেশিনগুলো অচল হয়ে পড়েছে। দেউলিয়া আদালত এখন তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। কবে—বা আদৌ—এগুলো পুনরায় চালু হবে, তা কেউ জানে না।




