রাষ্ট্রপতি Donald Trump ১৪-১৫ মে চীনের রাষ্ট্রপতি Xi Jinping-এর সাথে একটি শীর্ষ বৈঠকের জন্য চীন সফর করবেন। হোয়াইট হাউস এবং চীনা কর্মকর্তারা উচ্চ-স্তরের এই বৈঠকের তারিখ নিশ্চিত করেছেন, তবে বিস্তারিত এজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি। এই আলোচনা মার্কিন-চীন সম্পর্কের একটি জটিল সময়ে এসেছে, যেখানে কয়েক মাস ধরে বাণিজ্য উত্তেজনা চলছে।
শীর্ষ বৈঠকের সময়সূচি
দুই দিনের এই শীর্ষ বৈঠকটি বেইজিং-এ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে সঠিক স্থান এখনও ঘোষণা করা হয়নি। উভয় নেতা ব্যক্তিগত আলোচনা এবং তাদের প্রতিনিধি দলের সাথে বৃহত্তর বৈঠক করবেন। বাণিজ্য নীতি, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা এজেন্ডায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কী ঝুঁকিতে রয়েছে
এই বৈঠকটি বিশ্বের দুটি বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে একাধিক শুল্ক বৃদ্ধির পর ঘটছে। Trump শত শত বিলিয়ন ডলারের চীনা পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন, যখন চীন তার নিজস্ব শুল্ক দিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে। এই শীর্ষ বৈঠকটি বাণিজ্য যুদ্ধ হ্রাস এবং একটি কাঠামো চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অগ্রগতি না হলে আরও শুল্ক এবং দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা দেখা দিতে পারে যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলকে প্রভাবিত করবে।
বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। একটি অগ্রগতি বাজারকে চাঙা করতে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে আস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারে। একটি ভাঙ্গন অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
বৃহত্তর প্রসঙ্গ
দুই নেতা আগেও বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ করেছেন, তবে বাণিজ্য আলোচনা থমকে যাওয়ার পর এটি তাদের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ হবে। হোয়াইট হাউস বলেছে যে Trump একটি চুক্তি অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যা আমেরিকান চাকরি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি রক্ষা করে। চীন আলোচনায় রাজি হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে কিন্তু তার সার্বভৌমত্ব এবং উন্নয়ন মডেলের প্রতি সম্মান দাবি করেছে।
বাণিজ্যের বাইরে, শীর্ষ বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি এবং দক্ষিণ চীন সাগরে নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি স্পর্শ করা হতে পারে। উভয় দেশেরই এই অঞ্চলে কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে এবং আলোচনা তাদের কূটনৈতিক অবস্থান গঠন করতে পারে।
শীর্ষ বৈঠকটি ১৫ মে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এখনও কোনও সংবাদ সম্মেলন ঘোষণা করা হয়নি এবং উভয় পক্ষ বৈঠকের পরে একটি যৌথ বিবৃতি জারি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।




