যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কেরমানশাহ ও আন্দিমেশক শহরে সামরিক হামলা সম্প্রসারিত করেছে, যা ইরাক সীমান্তের কাছে অবস্থিত। এই পদক্ষেপ অভিযানের একটি উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ, যা এখন পর্যন্ত অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ ছিল। একটি জরিপ ইঙ্গিত দেয় যে ৫৩.৫% মানুষ ৩১ আগস্টের মধ্যে ইরানের আকাশসীমা সম্পূর্ণ বন্ধ করার পক্ষে, যা সামরিক উত্তেজনার সাথে একটি রাজনৈতিক মাত্রা যোগ করে।
কেরমানশাহ ও আন্দিমেশক লক্ষ্যবস্তু
কেরমানশাহ ও আন্দিমেশক ইরাক সীমান্তের কাছে অবস্থিত, একটি অঞ্চল যা এ পর্যন্ত সরাসরি হামলার শিকার হয়নি। এই সম্প্রসারণ ইরাক সীমান্তের কাছে সংঘাত ছড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করে। এই রাউন্ডের মার্কিন অভিযানে এই শহর দুটি পূর্বে লক্ষ্যবস্তু ছিল না বলে জানা যায়।
জরিপে আকাশসীমা বন্ধের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন
জনমত ট্র্যাকিং জরিপে দেখা গেছে ৫৩.৫% মানুষ আগস্টের শেষ নাগাদ ইরানের আকাশসীমা সম্পূর্ণ বন্ধ করার পক্ষে। এই সংখ্যা ইঙ্গিত দেয় যে দেশের সমস্ত বেসামরিক ও সামরিক বিমান চলাচল বন্ধ করার মতো কঠোর পদক্ষেপের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। ৩১ আগস্টের সময়সীমা নীতিনির্ধারকদের জন্য বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটি সংকীর্ণ সুযোগ তৈরি করে।
সীমান্তের কাছে উত্তেজনা বৃদ্ধি
ইরাকের কাছে লক্ষ্যবস্তু নির্বাচনের কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। কেরমানশাহ একটি প্রাদেশিক রাজধানী যেখানে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রয়েছে, অন্যদিকে আন্দিমেশক দক্ষিণে প্রধান পরিবহন রুট বরাবর অবস্থিত। এই হামলাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের কাছে ইরানের সরবরাহ লাইন জটিল করতে পারে এমন এলাকায় আঘাত হানতে প্রস্তুত। ইরানি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সর্বশেষ হামলা সম্পর্কে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হয়নি।
৫৩.৫% জরিপের সংখ্যা, যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠ, বিতর্কের সুযোগ রাখে। সম্পূর্ণ আকাশসীমা বন্ধ একটি অভূতপূর্ব পদক্ষেপ হবে এবং ৩১ আগস্টের তারিখটি এখন এই ব্যবস্থার সমর্থক ও বিরোধী উভয়ের জন্যই কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।




