জার্মানি তার তেহরান দূতাবাসের কার্যক্রম সীমিত করেছে এবং ইরানে অবস্থানরত জার্মান নাগরিকদের দেশটি ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সরকার জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত দূতাবাসের কূটনৈতিক কর্মী এবং বর্তমানে দেশটিতে থাকা জার্মান নাগরিক উভয়কেই প্রভাবিত করবে।
দূতাবাসের কর্মী কমানোর বিষয়টি কী অন্তর্ভুক্ত করে
জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা তেহরানে তাদের দূতাবাসের কর্মী সংখ্যা ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে। কনস্যুলার সেবা সীমিত করা হবে এবং দূতাবাসটি ন্যূনতম কর্মী নিয়ে পরিচালিত হবে। এই সিদ্ধান্তকে একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
জার্মান নাগরিকদের জন্য জরুরি আহ্বান
ইরানে অবস্থানরত জার্মান নাগরিকদের অবিলম্বে দেশটি ছেড়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যারা থাকবেন, তাদের দূতাবাসে নিবন্ধন করতে এবং সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সরকার বলেছে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কনস্যুলার সহায়তার নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
এই পদক্ষেপ ইরানের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পুনর্মূল্যায়নের ফল। জার্মানি এই অঞ্চলে কূটনৈতিক উপস্থিতি সমন্বয় করা সর্বশেষ ইউরোপীয় দেশ। তেহরানের দূতাবাস কিছু সময় ধরে উচ্চতর নিরাপত্তা প্রোটোকলের অধীনে কাজ করছে।
ঘোষণায় কোনো নির্দিষ্ট হুমকির উল্লেখ করা হয়নি, তবে সরকার জানিয়েছে, সিদ্ধান্তটি একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ ঝুঁকি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। ইরানের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা কয়েক মাস ধরে বলবৎ রয়েছে।
জার্মান দূতাবাস তেহরানে আপাতত জরুরি সেবা প্রদান অব্যাহত রাখবে, তবে কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন যে নাগরিকদের সাহায্য করার ক্ষমতা সীমিত হতে পারে। সরকার সম্ভাব্য উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়ের জন্য অংশীদার দেশগুলোর সাথে কাজ করছে।




