হুঁশিয়ারি
এই সপ্তাহে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে হুথি নেতৃত্ব বলেছে, তারা সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও হোদেইদাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তারা যাকে "সামরিক লক্ষ্য" বলে অভিহিত করেছে, সেখানে হামলা বাড়াবে। গোষ্ঠীটি কোনো সময়সীমা নির্দিষ্ট করেনি, তবে বিমান সংস্থা ও ভ্রমণকারীদের ওই এলাকা এড়িয়ে চলতে সতর্ক করেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝুঁকিতে থাকা প্রধান বিমানবন্দর
সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২০১৫ সাল থেকে মূলত বাণিজ্যিক যাতায়াতের জন্য বন্ধ, তবে এটি এখনও কিছু জাতিসংঘ ও মানবিক ফ্লাইট পরিচালনা করে। কৌশলগত বন্দর নগরীতে অবস্থিত হোদেইদাহ বিমানবন্দরেও সীমিত কার্যক্রম দেখা গেছে। খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতির মুখে থাকা লাখ লাখ ইয়েমেনির কাছে সহায়তা পৌঁছানোর জন্য উভয় সুবিধাই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো বাড়তি পদক্ষেপ সরবরাহ আরও বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব
এই হুঁশিয়ারি এসেছে যখন জাতিসংঘ এবং অন্যান্য সহায়তা সংস্থাগুলি ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। এই বিমানবন্দরগুলির আশেপাশে বর্ধিত সামরিক কার্যকলাপ ত্রাণ ফ্লাইট স্থগিত করতে পারে, খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহে বিলম্ব ঘটাতে পারে এবং বেসামরিক নাগরিকদের আরও বড় ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। হুথিরা আগেও বিমানবন্দর ও অন্যান্য অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, কিন্তু এই স্পষ্ট হুঁশিয়ারি অভিযান বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়




