Loading market data...

ভারতের সাইবার অপরাধ সংস্থা জ্যাক ডরসির বিচ্যাট রিপোজিটরি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে গিটহাবকে, এনইইটি বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে

ভারতের সাইবার অপরাধ সংস্থা জ্যাক ডরসির বিচ্যাট রিপোজিটরি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে গিটহাবকে, এনইইটি বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে

ভারতের সাইবার অপরাধ সংস্থা গিটহাবকে জ্যাক ডরসির প্রতিষ্ঠিত বিকেন্দ্রীভূত মেসেজিং অ্যাপ বিচ্যাটের তিনটি রিপোজিটরি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে। নোটিশে প্ল্যাটফর্মটিকে মাত্র তিন ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছিল, যা নয়াদিল্লিতে এনইইটি ২০২৬ পরীক্ষার বিক্ষোভের সময় জারি করা হয়, যেখানে বিক্ষোভকারীরা ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময় বিচ্যাট ব্যবহার করে যোগাযোগ করছিল। ডরসি ২৪ জুলাই এক্সে (পূর্ববর্তী টুইটার) সরকারি আদেশটি প্রকাশ্যে জানান।

অপসারণের আদেশ

আদেশটি গিটহাবের তিনটি নির্দিষ্ট বিচ্যাট রিপোজিটরিকে লক্ষ্য করে। ভারতের সাইবার অপরাধ সংস্থা তিন ঘণ্টার মধ্যে সেগুলি অপসারণের দাবি জানায়। অপসারণের সঠিক আইনি ভিত্তি প্রকাশ করা হয়নি, তবে সময়টি সরকারের বিক্ষোভকারীদের যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করার প্রচেষ্টার সাথে মিলে যায়।

কেন বিচ্যাটকে লক্ষ্য করা হলো

বিচ্যাট একটি বিটকয়েন-সংযুক্ত মেসেজিং অ্যাপ যা বিকেন্দ্রীভূত নেটওয়ার্কে চলে, ফলে এটি ঐতিহ্যবাহী প্ল্যাটফর্মের তুলনায় বন্ধ করা কঠিন। এনইইটি ২০২৬ বিক্ষোভের সময় নয়াদিল্লির শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মুখোমুখি হয়েছিল কিন্তু বিচ্যাটের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখে। এটিই সম্ভবত সরকারের নজর কেড়েছে। অ্যাপটির বিকেন্দ্রীভূত প্রকৃতির কারণে শুধু একটি ওয়েবসাইট বা সার্ভার ব্লক করলে তা বন্ধ হয় না—কিন্তু গিটহাব থেকে এর সোর্স কোড অপসারণ উন্নয়ন ও বিতরণকে ধীর করে দিতে পারে।

ডরসির প্রতিক্রিয়া

ডরসি শুক্রবার এক্সে সরকারি নোটিশের একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন। তিনি কোনো মন্তব্য যোগ করেননি, শুধু ছবিটি পোস্ট করেন। নোটিশটি ২৪ জুলাই তারিখের এবং এতে ভারতের সাইবার অপরাধ সমন্বয় ইউনিটের লেটারহেড রয়েছে। বিক্ষোভের সময় মেসেজিং অ্যাপের বিরুদ্ধে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নেওয়া এটি প্রথম ঘটনা নয়—তবে একটি বিকেন্দ্রীভূত, বিটকয়েন-ভিত্তিক অ্যাপকে লক্ষ্য করা একটি নতুন মোড়।

এরপর কী হবে

গিটহাব রিপোজিটরিগুলি অপসারণ করেছে কিনা তা জানায়নি। তিন ঘণ্টার সময়সীমা শুক্রবার শেষ হয়েছে, তবে কোম্পানিটি প্রায়শই অতিরিক্ত বিস্তৃত বা আইনত সন্দেহজনক অপসারণের অনুরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। এখন পর্যন্ত রিপোজিটরিগুলি এখনও সক্রিয় রয়েছে—অন্তত এই লেখার সময় পর্যন্ত। বড় প্রশ্ন হলো ভারত আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে কিনা, এবং একটি বিকেন্দ্রীভূত অ্যাপ যেমন বিচ্যাট কীভাবে টিকে থাকতে পারে যখন তার কোড সরাসরি সরকারের আক্রমণের মুখে পড়ে।