আলোচনার বিষয়বস্তু
দুই দেশ সংকীর্ণ জলপথের জন্য নেভিগেশন ও নিরাপত্তা প্রোটোকল নির্ধারণ করছে। হরমুজ প্রণালী বৈশ্বিক তেল পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। প্রতিদিন বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পেট্রোলিয়াম এই পথ দিয়ে যায়। নতুন নিয়মগুলোর লক্ষ্য যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যস্ত শিপিং লেনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো।
কোনো পক্ষই প্রস্তাবিত নিয়মের বিস্তারিত প্রকাশ করেনি। তবে আলোচনা প্রায় শেষ হয়ে যাওয়া ইঙ্গিত দেয় যে, প্রণালীতে জাহাজ ও সামরিক যানের চলাচল নিয়মতান্ত্রিক করতে উভয় দেশই সুবিধা দেখছে।
টেবিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেই
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এই অঞ্চলে নৌবাহিনী মোতায়েন রেখেছে। কিন্তু এই আলোচনা সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক। ওয়াশিংটন এই আলোচনার অংশ নয়, এবং তাদের যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এমন কোনো ইঙ্গিতও নেই।
এটি অতীতের ব্যবস্থা থেকে পরিবর্তন চিহ্নিত করে। বছরের পর বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগরে নৌ নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে। এখন ইরান ও ওমান আমেরিকান মধ্যস্থতা বা তদারকি ছাড়াই প্রণালীর জন্য নিজস্ব শর্ত নির্ধারণ করছে।
ওমানের ভারসাম্য রক্ষা
ওমান ঐতিহাসিকভাবে ইরান এবং পশ্চিমাদের মধ্যে কূটনৈতিক সেতু হিসেবে কাজ করেছে। এটি তেহরান এবং ওয়াশিংটন উভয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে। এই আলোচনার নেতৃত্ব দিয়ে মাস্কাট একটি অস্থির অঞ্চলে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তার ভূমিকা আরও শক্তিশালী করছে।
সুলতানেট হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ইরানের সাথে ভাগ করে নেয়। তারা যৌথভাবে ট্রাফিক বিভাজন পরিকল্পনা পরিচালনা করে যা ট্যাংকার ও কার্গো জাহাজ চলাচল সচল রাখে। নতুন নিয়মগুলো সেই বিদ্যমান কাঠামোর উপর ভিত্তি করে তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইরানের জন্য, এই চুক্তিটি মার্কিন চাপ ছাড়াই জলপথের উপর তার প্রভাবকে আনুষ্ঠানিক করার সুযোগ দেয়। ওমানের জন্য, এটি প্রণালী স্থিতিশীল রাখার এবং নিজ




