ডোনাল্ড ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের পর কঠোর শুল্ক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য চাপ দিচ্ছেন, যা রাষ্ট্রপতির একতরফাভাবে বাণিজ্য বাধা আরোপের ক্ষমতা সীমিত করেছে। এই সিদ্ধান্ত যুদ্ধক্ষেত্র কংগ্রেসে স্থানান্তরিত করেছে, যেখানে আইনপ্রণেতারা এখন একটি পছন্দের মুখোমুখি হয়েছেন যা আগামী বছরগুলির জন্য মার্কিন বাণিজ্য নীতি পুনর্নির্মাণ করতে পারে।
আদালতের সীমাবদ্ধতা
সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে যে নির্বাহী শাখা কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া শুল্ক আরোপ করতে পারে না। এটি সরাসরি সেই আইনি ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয় যা ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ব্যবহার করেছিলেন, যখন তিনি জাতীয় নিরাপত্তা ও বাণিজ্য আইনের বিধানের অধীনে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম এবং চীনা পণ্যের উপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেছিলেন। এই রায় বাণিজ্যে রাষ্ট্রপতি কতদূর যেতে পারেন তা পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করে।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া
ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তিনি সেই কঠোর নীতিগুলি ফিরিয়ে আনতে চান। আদালত তার বিকল্পগুলি সীমিত করায়, তিনি এখন কংগ্রেসকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি যুক্তি দেন যে আইনপ্রণেতাদের নির্বাহী শাখাকে আরও বিস্তৃত শুল্ক কর্তৃত্ব দেওয়া উচিত — অন্যথায় বাণিজ্য আলোচনায় তাদের প্রভাব হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। তার এই চাপ তাদের মধ্যে সংঘাত তৈরি করে যারা বাণিজ্যের ওপর কংগ্রেসের ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করতে চায় এবং যারা হোয়াইট হাউসের কঠোর অবস্থান সমর্থন করে।
কংগ্রেস কী করতে পারে
এই রায় আইনগত পরিবর্তনের দরজা খুলে দেয় যা দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন বাণিজ্য নীতি পুনর্নির্ধারণ করতে পারে। আইনপ্রণেতারা বিবেচনা করছেন যে তারা রাষ্ট্রপতিকে নতুন শুল্ক ক্ষমতা দেবেন, নতুন সীমাবদ্ধতা আরোপ করবেন, নাকি বর্তমান ব্যবস্থা অপরিবর্তিত রাখবেন। যেকোনো পদক্ষেপ মিত্র থেকে শুরু করে প্রধান প্রতিযোগী পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলবে। এখনো কোনো বিল উত্থাপন করা হয়নি, তবে আগামী মাসগুলিতে বিতর্ক তীব্র হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আইনগত পদক্ষেপের জন্য কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। প্রশ্ন এখন হলো, কংগ্রেস কি ট্রাম্পকে তার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দেবে — নাকি সেগুলো নিজের কাছে রাখবে?




